1. kamrulcse1@gmail.com : janatarkontho_24 : জনতারকণ্ঠ
  2. mostufakamalbd@gmail.com : মোস্তফা কামাল : মোস্তফা কামাল
  3. shariful.ja81@gmail.com : মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম : মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম
বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০৭:৪৭ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
আপনার আশপাশে ঘটে যাওয়া যেকোনো ঘটনা বা যেকোনো বিষয়ে জনতারকণ্ঠে লিখে পাঠান।। লেখা পাঠাতে ইমেইল করুন : newsjanatarkontho@gmail.com

সূর্যের তাপে গলে যাচ্ছে প্যারিসের এই বাড়িটি

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৪ মার্চ, ২০২১, সময়: ৫:১৯ pm
  • ৪৭ বার

জনতার কণ্ঠ ২৪.কম

সূর্যের তাপে বাড়িটি গলে গফলে পড়ছে। বাড়ির দেয়ালের রং থেকে শুরু করে জানালা দরজা সবই। নাহ এটি কোনো বাস্তব ঘটনা নয়, তবে সিনেমার অ্যানিমেশন কিছুও না। বছর তিনেক আগের কথা। প্যারিসের জর্জ-৫ অ্যাভেনিউর ধারে পথচলতি মানুষ হঠাৎ থমকে দাঁড়িয়ে পড়লেন। দেখতে দেখতে ভিড় জমে গেল। সকলেই অবাক চোখে তাকিয়ে দেখছেন রাস্তার ধারে একটি বাড়ির দিকে।

সবদিক থেকেই বাড়ির মতো। দেয়াল, জানলা, দরজা সবই আছে। তবে সবই যেন অদ্ভুত চেহারার। দেখে মনে হয় সূর্যের তাপে বুঝি বাড়িটা গলে যাচ্ছে। কপাল কুচকে অনেকেই ভাবছেন মোমের তৈরি নাকি!

বছর তিনেক আগে হঠাৎ চলতি পথেই পথচারীদের নজরে আসে এটি

বছর তিনেক আগে হঠাৎ চলতি পথেই পথচারীদের নজরে আসে এটিএটি ফ্রান্সের প্যারিসে অবস্থিত একটি বিল্ডিং। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতেও ভাইরাল হয়ে উঠেছিল প্যারিসের মেল্টিং বিল্ডিং-এর ছবি। অনেকেই অবশ্য ভেবেছিলেন, এ নিশ্চই ছবির কারসাজি! বাস্তবে এমন কোনো বাড়ি থাকতেই পারে না। তবে দেশ-বিদেশ থেকে তথ্যসংগ্রাহকরা গিয়ে দেখলেন, সত্যিই প্যারিসের রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছে এমন একটি বাড়ি। এ যেন কোনো আর্কিটেক্টের এক বিস্ময়কর কীর্তি। এরপর জানা যায়, এর পিছনের আসল কাহিনী। এটিতে কোনো আর্কিটেক্টের ভূমিকা নেই। আসলে এমন কোনো বাড়ি নেই। এমনকি কোনোদিন ছিলও না।

পুরোটাই শিল্পীর তুলিতে আঁকা একটি ক্যানভাসের ছবি এটি

পুরোটাই শিল্পীর তুলিতে আঁকা একটি ক্যানভাসের ছবি এটিহাজার হাজার মানুষের দৃষ্টিশক্তিকে নিয়ে খেলা করেছেন এক শিল্পী। তার নাম পিয়ের দেলাভি। ২০০৭ সালেই তিনি এই ত্রিমাত্রিক ছবির পরিকল্পনা করেন। তবে সমস্ত প্রকল্প সম্পাদন করতে যে খরচ প্রয়োজন, তা তখন তার হাতে ছিল না। সুযোগ মিলিল আরও ১১ বছর পর। ২০১৯ সালের কথা। প্যারিসের এক নির্মাণ সংস্থা ঠিক করলেন এই শিল্পী। নতুন বাড়ি তৈরির সময় তা আড়াল করে রাখা হবে। কোনোভাবেই তা যেন দৃশ্যদূষণের কারণ না হয়। আর সেই দায়িত্ব দেয়া হল পিয়ের দেলাভিকে। ১১ বছর আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী তিনি তৈরি করলেন সেই ত্রিমাত্রিক ছবি। আর ছবি দিয়ে ঘিরে ফেললেন নির্মাণের এলাকা।

হাজার হাজার মানুষের দৃষ্টিশক্তিকে নিয়ে খেলা করেছেন শিল্পী পিয়ের দেলাভি

হাজার হাজার মানুষের দৃষ্টিশক্তিকে নিয়ে খেলা করেছেন শিল্পী পিয়ের দেলাভিসেই ছবি দেখেই অবাক সকলে। তবে এই রহস্য বেশি মানুষের কাছে প্রকাশ করা হয়নি। জর্জ-৫ অ্যাভেনিউর কাছে বাড়িটি দেখতে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছিলেন প্যারিসবাসী। বিদেশি পর্যটকরাও ভিড় জমাত। কয়েক মাস পরেই দেখা গেল উধাও ‘মেল্টিং হাউস’। তার জায়গায় দাঁড়িয়ে আধুনিক এক অট্টালিকা। আজ সেই‘মেল্টিং হাউস’ এক ইতিহাস। তার অস্তিত্ব শুধুই স্মৃতিতে আর ফটোগ্রাফে। মানুষের মনের এক কোণে বেঁচে রয়েছে মেল্ডিং হাউস। 

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..