1. kamrulcse1@gmail.com : janatarkontho_24 : জনতারকণ্ঠ
  2. mostufakamalbd@gmail.com : মোস্তফা কামাল : মোস্তফা কামাল
  3. shariful.ja81@gmail.com : মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম : মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম
সোমবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২১, ০২:৪১ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
আপনার আশপাশে ঘটে যাওয়া যেকোনো ঘটনা বা যেকোনো বিষয়ে জনতারকণ্ঠে লিখে পাঠান।। লেখা পাঠাতে ইমেইল করুন : newsjanatarkontho@gmail.com
শিরোনাম :
যশোরের শার্শা উপজেলার ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে কিশোর ধর্ষক আটক দশম ও দ্বাদশে নিয়মিত ক্লাস, অন্যদের সপ্তাহে এক দিন: শিক্ষামন্ত্রী সখিপুরে জমি ও বাড়ি (স্বপ্নের ঠিকানা) পেয়েছেন ভূমিহীন,গৃহহীন ৪৫ টি পরিবার আ’লীগের সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীর অবৈধভাবে দখল করা সরকারি জায়গা উদ্ধার আমার অত্যন্ত আনন্দের দিন আজ : প্রধানমন্ত্রী সখিপুরে বনাঞ্চলের ভিতর স্থাপিত শতাধিক অবৈধ করাতকলের মধ্যে ৬টি উচ্ছেদ সখিপুরে শিল্পপতির ভূমি জবর দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন সখিপুরে কলেজ ছাত্র হত্যাকারী সনাক্ত ও গ্রেফতার 2 ভিজিএফ’র চাল আত্মসাত, কলাপাড়ার ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত সখিপুরে কলেজ ছাত্র রবিনকে হত্যার অভিযোগ, ১ জন আটক

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০, সময়: ১১:৩২ pm
  • ২০৩ বার



নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রকাশিত সংবাদে অভিযুক্ত ইলিয়াস কাশেমের বক্তব্য: আসসালামু আলাইকুম। প্রিয় সাংবাদিক বৃন্দ। বিগত ১২/০৯/২০২০ইং তারিখ সখিপুর রিপোর্টার্স ইউনিটিতে স্ব-শরীরে হাজির হয়ে মোসাঃ লাকী আক্তার, পিতাঃ মৃতঃ আক্কাছ আলী, মাতাঃ বাছিরন নেছা, গ্রাম+ ডাকঘরঃ সখিপুর, উপজেলাঃ সখিপুর, জেলাঃ টাঙ্গাইল। নামীয় ঠিকানায় আমার নাম ইলিয়াস কাশেম তার স্বামী হিসেবে উল্লেখ করে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেন। যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। প্রকৃত সত্য হল মেয়েটির স্বামী কবির হোসেন যা সখীপুর উপজেলা নির্বাচন কমিশন কার্যালয় থেকে সংগৃহিত তার জাতীয় পরিচয় পত্রের উল্লেখিত আছে। তার প্রমান আমি আপনাদের রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (এক কপি জমা দিচ্ছি)। দ্বিতীয়ত সে অভিযোগ করেছেন যে, বিগত ১০/০২/২০১০ইং তারিখে গোপালপুর থানাধীন আলমনগর ইউনিয়ন কাজি মোঃ আবুল হোসেন মেয়াজীর মাধ্যমে ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকার দেনমোহর ধার্য করিয়া তাহার সহিত আমার নাকি বিবাহ সম্পাদন হয়! প্রকৃত সত্য হলো উল্লেখিত ঠিকানার কাজী সাহেব দ্বারা আমি কোন বিবাহ রেজিঃ করিনি। তার একখানা প্রমান পত্র সখীপুর রিপোর্টার্স ইউনিটিতে জমা দিচ্ছি। তার তৃতীয় অভিযোগ তার পর্যায় ক্রমে দুইটি মেয়ে সন্তান জন্ম হয় এবং তাহাদের হাসপাতালের ছাড়পত্র, ডাক্তারের চিকিৎসা পত্র, ইপিআই টিকা কার্ড ও জন্ম সনদের ফটোকপি জমা দিয়েছেন। এব্যাপারে আমার বক্তব্য হল, একটি শিশুর জন্মের পর হাসপাতালের ছাড়পত্র। ডাক্তারের চিকিৎসা পত্র, ইপিআই টিকা কার্ড ও জন্ম সনদের কাগজ কি প্রমান করে যে, শিশুটি কার? এবিষয়ে আমি আমার বিস্তারিত বক্তব্যের একটু পরে আসছি। তার ৪র্থ অভিযোগ বিগত ০৫/০৭/২০১১ইং তারিখ আমি নাকি তাহাকে বিদেশে পাঠানোর জন্য পাসর্পোট করিয়েছি! আমার প্রশ্ন হচ্ছে কোন মানুষ পাসর্পোট করলে (তার ব্যক্তিগত) প্রয়োজনে করেন। সেটাও কি আমাকে করে দিতে হবে! তা ছাড়া তার পাসর্পোট আছে কিনা সেটাও তো আমার জানা থাকার কোন কারন নেই। তার ৫ম অভিযোগ আমার ব্যক্তিগত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তৎকালীন মেসার্স সৌখিন সিনেমা হলের ব্যবসার জন্য সে নাকি সরল বিশ্বাসে তার মাতার নামীয় জমি বিক্রির ৬,৫০,০০০/- (ছয় লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা আমার হাতে তুলে দেয়! এ ব্যপারে আমার বক্তব্য হচ্ছে যদি সে তার মায়ের জমি বিক্রির ৬,৫০,০০০/- (ছয় লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা আমাকে দিয়েই থেকে থাকেন! তবে সেটা তার মায়ের কোন জমি বিক্রি করে দিলেন! তার একটি প্রমান থাকার প্রয়োজন ছিলো। এত গুলো টাকা নিশ্চয়ই কোন ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে? সেটা কোন ব্যাংকে কত তারিখের কত নম্বর চেকের মাধ্যমে উত্তোলন হয়েছিলো? এবং কার সামনে এতগুলো টাকা তিনি আমার হাতে তুলে দিলেন? এবং এতদিন কেন তিনি সে টাকার কথা কাউকেই জানালেন না? অতপর তিনি যে, বিজ্ঞ আদালতে আমার বিরুদ্ধে যৌতুক মামলা করলেন, সেখানে কেন এতগুলো টাকার কথা উল্লেখ করলেন না? তার ৬ষ্ঠ অভিযোগ তিনি সখীপুরে অবস্থিত বুরো বাংলাদেশ নামক এনজিও হতে ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ টাকা) তুলে নাকি তিনি পৃনরায় আমার আমার হাতেই তুলে দিলেন! যদি দিয়েই থাকেন, তার কি প্রমান আছে সেটা দেওয়া উচিৎ ছিলো। এবং আপনার করা মামলায় উল্লেখ থাকাও উচিৎ ছিলো। তার পরের সব কথাই মামলা সংক্রান্ত। এব্যাপারে আমার কোন কথা নেই। কারন বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধিন বিষয়ে কারও কোন কথা থাকাও উচিৎ নয়। আমার শেষ কথা হল। অভিযোগকারীনী আমার বিরোদ্ধে যে, সকল অভিযোগ করেছেন তাহা সম্পূর্ণ ডাহা মিথ্যা কাল্পনিক ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমার শেষ কথা হলো-তার মেয়ে সন্তান দুটি যদি সে মনে করেন আমার ঔরষেই জন্ম? তবে তাহাদের ডি.এন.এ (মেডিক্যাল) প্রমান করে আমাকে দেখান। যদি তাহারা আমারই প্রমানিত হয়। তবে তাহাদের যাবতীয় দায় দায়িত্ব আমি স্বেচ্ছায়ই গ্রহন করিতে রাজি আছি এবং থাকবো। এ জন্যই বাচ্ছাগুলোর ডি.এন.এ পরীক্ষার প্রয়োজন, যেহেতু আমি আভিযোগ কারীনীকে বিবাহ করি নাই। এবং তিনি একজন অসামাজিক ও চরিত্রহীনা। এটা শুধু আমার একার কথা নয় এটা স্থানীয় সকল মানুষেরই জানা বিষয়। এরকম অসামাজিক কর্যকলাপের দরুন আজ থেকে প্রায় দশ বারো বছর পূর্বেই কলেজ মেড় এলাকা থেকে তাকে সহ তার পুরো পরিবারকে এলাকার সাধারণ জনগণ উচ্ছেদ করেন।

পরিশেষে সকলের মঙ্গল কামনা করছি। আল্লাহ্ হাফেজ।

ইলিয়াস কাশেম
পিতাঃ এস.এম. নুরুল ইসলাম
গ্রামঃ + পোঃ সখিপুর
সখিপুর, টাঙ্গাইল।

তারিখঃ ১৫/০৯/২০২০ইং

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..